Menu |||

রাষ্ট্রদ্রোহী ভারতীয় রাজাকার- সিরাজী এম আর মোস্তাক

সিরাজী এম আর মোস্তাক: মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতে অবস্থান ও তথায় প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী বীর যোদ্ধা মাহফুজ আনামের বিরূূদ্ধে সম্প্রতি বেশকটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে। এটি পাকিস্তানি রাজাকারদের বিরূদ্ধে চলমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিপরীত দিক। ১৯৭১ সালে এদেশের সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালি সকলেই দুটি রাজাকারি দলে বিভক্ত ছিল। তা হলো, পাকিস্তানি রাজাকার ও ভারতীয় রাজাকার। যারা পাকবাহিনীর মদদ পেয়েছিল, তারা পাকিস্তানি রাজাকার। আর যারা ভারতের মদদ পেয়েছিল, তারা ভারতীয় রাজাকার। দেশাত্মবোধের চেতনায় রাজাকার শব্দের প্রথম ব্যবহার হয়েছিল ভারতে। যেমন ‘বাংলাদেশ জেনোসাইড এন্ড ওয়ার্ল্ড প্রেস’ গ্রন্থের ১৩২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে, “রাজাকার এ অভিধাটি ১৯৪৮ খ্রীষ্টাব্দে হায়দারাবাদে ভারতীয়দের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা নিজামের স্বেচ্ছাসেবকরা ব্যবহার করেছিল। রাজাকার শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে রাজা অথবা রাজ্যের প্রতি বিশ্বস্ত সেবক।” মুক্তিযুদ্ধকালে দুটো রাজাকার দলই এদেশের স্বাধীনতার জন্য সচেষ্ট ছিল। তাই বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালি সবাইকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর অসাধু রাজনীতিবিদরা তার ঘোষণা ভঙ্গ করে। তারা মাত্র দুই লাখ ভারতীয় রাজাকারদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। আর বাকী সমগ্র জনতাকে পাকিস্তানি রাজাকারভুক্ত করে। ত্রিশ লাখ শহীদ ও দুই লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনদেরকেও পাকিস্তানি রাজাকারভুক্ত করে। মাত্র সাতজন বীরশ্রেষ্ট খেতাবধারী শহীদ ছাড়া অন্য সকলের আত্মত্যাগ অস্বীকার করে। দুই লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনদের আত্মত্যাগ অস্বীকার করে মাত্র ৪১ নারীকে বীরাঙ্গনা খেতাব প্রদান করে। এভাবে খোদ বঙ্গবন্ধুকেও মুক্তিযোদ্ধা তালিকার বাইরে রাখে।
মুক্তিযদ্ধের সময়ে জনাব মাহফুজ আনাম যেহেতু ভারতে ছিলেন, তাই তিনি ভারতীয় রাজাকার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার ৪৫ বছর যাবত তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছেন। স্বাধীনের পর দেশে ফিরে তিনি যা চেয়েছেন, তাই পেয়েছেন। সরাসরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বহুল পঠিত ‘দৈনিক ডেইলি ষ্টার’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি একইসাথে সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক। তার বাবা আবুল মুনসুর আহমদও ছিলেন প্রখ্যাত রাজনীতিক। বাবার রাজনৈতিক আদর্শের ছাপ তার লেখায় স্পষ্ট। তাই ষঢ়যন্ত্রকারীরা মতপ্রকাশের অধিকার খর্ব করে তাকে অন্যায়ভাবে হয়রানি করার ঘৃণ্য ষঢ়যন্ত্র করেছে। তার বিরূদ্ধে সম্পুর্ণ মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, জনাব মাহফুজ আনাম ১/১১’র সময়ে প্রচার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কন্যার বিরূদ্ধে ষঢ়যন্ত্র করেছিলেন। তিনি যার বিরূদ্ধে কথিত ষঢ়যন্ত্র করেছিলেন, আজ তারই শাসন চলছে। যেহেতু আগরতলা ষঢ়যন্ত্রের ন্যায় জনাব মাহফুজ আনামের কথিত ষঢ়যন্ত্রটিও ব্যর্থ হয়েছে, তাই তা রাষ্ট্রদ্রোহের পর্যায়ে পড়েনা। অর্থাৎ বর্তমানে উক্ত অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
মূলত যারা জনাব মাহফুজ আনামের বিরূদ্ধে অবৈধ মামলা করে স্বার্থসিদ্ধি করতে চেয়েছেন, তাদের মুখোশ আজ পরিষ্কার। তারা তোষামুদির মাধ্যমে অবৈধভাবে মুক্তিযোদ্ধা কোটাভুক্ত হতে চেয়েছেন। নিজেদেরকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা নাতি-নাতনী সাব্যস্ত করতে চেয়েছেন। আর মুক্তিযোদ্ধা কোটার নামে দেশের সকল সুযোগ-সুবিধা অন্যায়ভাবে হাতিয়ে নেবার পরিকল্পনা করেছেন। তারা মিথ্যা তোষামুদি করতে গিয়ে এমন ঘৃণিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। একজন ভারতীয় মদদপুষ্ট মুক্তিযোদ্ধা বা ভারতীয় রাজাকারকে রাষ্ট্রদ্রোহী সাব্যস্ত করেছেন।
তাই বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, তথাকথিত দুই লাখ ভারতীয় রাজাকারদেরকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সীমাবদ্ধ না রেখে বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ‘৭১ এর সাড়ে সাত কোটি বীর বাঙ্গালি ও সকল শহীদদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষণা করুন। এভাবে স্বার্থান্বেষী মহলের ঘৃণ্য চক্রান্ত নস্যাত করুন। দেশের বর্তমান ষোল কোটি নাগরিক সবাইকে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠন করুন। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় রাজাকার জনাব মাহফুজ আনামের বিরূদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ বাতিল করুন।
এ্যাডভোকেট, ঢাকা।

Facebook Comments Box

সাম্প্রতিক খবর:

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

কুয়েতে জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন

খাদ্য নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতা: উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমরা ঠিক কতটা পিছিয়ে?

কুয়েতের মরুভূমিতে লাল-সবুজের বিপ্লব

কুয়েত গাউছিয়া কমিটি ফাহাহিল শাখার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

টানা পঞ্চম জয়! কুয়েত সামার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের বড় জয়

কুয়েতের আদালতে বাংলাদেশি নাগরিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড বহাল

বিদেশী বিনিয়োগকারীদের ১৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদী রেসিডেন্সি দিচ্ছে কুয়েত

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

» কুয়েতে জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

» গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

» কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন

» খাদ্য নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতা: উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমরা ঠিক কতটা পিছিয়ে?

» কুয়েতের মরুভূমিতে লাল-সবুজের বিপ্লব

» কুয়েত গাউছিয়া কমিটি ফাহাহিল শাখার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

» টানা পঞ্চম জয়! কুয়েত সামার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের বড় জয়

» মৌলভীবাজারে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল আজিজকে নাগরিক সংবর্ধনা

» কুয়েতের আদালতে বাংলাদেশি নাগরিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড বহাল

Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

UN Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Hawally. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

রাষ্ট্রদ্রোহী ভারতীয় রাজাকার- সিরাজী এম আর মোস্তাক

সিরাজী এম আর মোস্তাক: মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতে অবস্থান ও তথায় প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী বীর যোদ্ধা মাহফুজ আনামের বিরূূদ্ধে সম্প্রতি বেশকটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে। এটি পাকিস্তানি রাজাকারদের বিরূদ্ধে চলমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিপরীত দিক। ১৯৭১ সালে এদেশের সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালি সকলেই দুটি রাজাকারি দলে বিভক্ত ছিল। তা হলো, পাকিস্তানি রাজাকার ও ভারতীয় রাজাকার। যারা পাকবাহিনীর মদদ পেয়েছিল, তারা পাকিস্তানি রাজাকার। আর যারা ভারতের মদদ পেয়েছিল, তারা ভারতীয় রাজাকার। দেশাত্মবোধের চেতনায় রাজাকার শব্দের প্রথম ব্যবহার হয়েছিল ভারতে। যেমন ‘বাংলাদেশ জেনোসাইড এন্ড ওয়ার্ল্ড প্রেস’ গ্রন্থের ১৩২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে, “রাজাকার এ অভিধাটি ১৯৪৮ খ্রীষ্টাব্দে হায়দারাবাদে ভারতীয়দের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা নিজামের স্বেচ্ছাসেবকরা ব্যবহার করেছিল। রাজাকার শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে রাজা অথবা রাজ্যের প্রতি বিশ্বস্ত সেবক।” মুক্তিযুদ্ধকালে দুটো রাজাকার দলই এদেশের স্বাধীনতার জন্য সচেষ্ট ছিল। তাই বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালি সবাইকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর অসাধু রাজনীতিবিদরা তার ঘোষণা ভঙ্গ করে। তারা মাত্র দুই লাখ ভারতীয় রাজাকারদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। আর বাকী সমগ্র জনতাকে পাকিস্তানি রাজাকারভুক্ত করে। ত্রিশ লাখ শহীদ ও দুই লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনদেরকেও পাকিস্তানি রাজাকারভুক্ত করে। মাত্র সাতজন বীরশ্রেষ্ট খেতাবধারী শহীদ ছাড়া অন্য সকলের আত্মত্যাগ অস্বীকার করে। দুই লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনদের আত্মত্যাগ অস্বীকার করে মাত্র ৪১ নারীকে বীরাঙ্গনা খেতাব প্রদান করে। এভাবে খোদ বঙ্গবন্ধুকেও মুক্তিযোদ্ধা তালিকার বাইরে রাখে।
মুক্তিযদ্ধের সময়ে জনাব মাহফুজ আনাম যেহেতু ভারতে ছিলেন, তাই তিনি ভারতীয় রাজাকার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার ৪৫ বছর যাবত তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছেন। স্বাধীনের পর দেশে ফিরে তিনি যা চেয়েছেন, তাই পেয়েছেন। সরাসরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বহুল পঠিত ‘দৈনিক ডেইলি ষ্টার’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি একইসাথে সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক। তার বাবা আবুল মুনসুর আহমদও ছিলেন প্রখ্যাত রাজনীতিক। বাবার রাজনৈতিক আদর্শের ছাপ তার লেখায় স্পষ্ট। তাই ষঢ়যন্ত্রকারীরা মতপ্রকাশের অধিকার খর্ব করে তাকে অন্যায়ভাবে হয়রানি করার ঘৃণ্য ষঢ়যন্ত্র করেছে। তার বিরূদ্ধে সম্পুর্ণ মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, জনাব মাহফুজ আনাম ১/১১’র সময়ে প্রচার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কন্যার বিরূদ্ধে ষঢ়যন্ত্র করেছিলেন। তিনি যার বিরূদ্ধে কথিত ষঢ়যন্ত্র করেছিলেন, আজ তারই শাসন চলছে। যেহেতু আগরতলা ষঢ়যন্ত্রের ন্যায় জনাব মাহফুজ আনামের কথিত ষঢ়যন্ত্রটিও ব্যর্থ হয়েছে, তাই তা রাষ্ট্রদ্রোহের পর্যায়ে পড়েনা। অর্থাৎ বর্তমানে উক্ত অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
মূলত যারা জনাব মাহফুজ আনামের বিরূদ্ধে অবৈধ মামলা করে স্বার্থসিদ্ধি করতে চেয়েছেন, তাদের মুখোশ আজ পরিষ্কার। তারা তোষামুদির মাধ্যমে অবৈধভাবে মুক্তিযোদ্ধা কোটাভুক্ত হতে চেয়েছেন। নিজেদেরকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা নাতি-নাতনী সাব্যস্ত করতে চেয়েছেন। আর মুক্তিযোদ্ধা কোটার নামে দেশের সকল সুযোগ-সুবিধা অন্যায়ভাবে হাতিয়ে নেবার পরিকল্পনা করেছেন। তারা মিথ্যা তোষামুদি করতে গিয়ে এমন ঘৃণিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। একজন ভারতীয় মদদপুষ্ট মুক্তিযোদ্ধা বা ভারতীয় রাজাকারকে রাষ্ট্রদ্রোহী সাব্যস্ত করেছেন।
তাই বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, তথাকথিত দুই লাখ ভারতীয় রাজাকারদেরকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সীমাবদ্ধ না রেখে বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ‘৭১ এর সাড়ে সাত কোটি বীর বাঙ্গালি ও সকল শহীদদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষণা করুন। এভাবে স্বার্থান্বেষী মহলের ঘৃণ্য চক্রান্ত নস্যাত করুন। দেশের বর্তমান ষোল কোটি নাগরিক সবাইকে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠন করুন। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় রাজাকার জনাব মাহফুজ আনামের বিরূদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ বাতিল করুন।
এ্যাডভোকেট, ঢাকা।

Facebook Comments Box

সাম্প্রতিক খবর:

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

কুয়েতে জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন

খাদ্য নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতা: উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমরা ঠিক কতটা পিছিয়ে?

কুয়েতের মরুভূমিতে লাল-সবুজের বিপ্লব

কুয়েত গাউছিয়া কমিটি ফাহাহিল শাখার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

টানা পঞ্চম জয়! কুয়েত সামার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের বড় জয়

কুয়েতের আদালতে বাংলাদেশি নাগরিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড বহাল

বিদেশী বিনিয়োগকারীদের ১৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদী রেসিডেন্সি দিচ্ছে কুয়েত


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Exchange Rate

Exchange Rate EUR: Mon, 31 Aug.

সর্বশেষ খবর



Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

UN Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Hawally. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Bangladesh Office

Director. Rumi Begum
Adviser. Advocate Koyes Ahmed
Desk Editor (Dhaka) Saiyedul Islam
44, Probal Housing (4th floor), Ring Road, Mohammadpur,
Dhaka-1207. Bangladesh
Contact: +8801733966556 /+8801316861577

Email Address

agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Licence No.

MC- 00158/07      MC- 00032/13

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com
error: দুঃখিত! অনুলিপি অনুমোদিত নয়।